টিপস

একটি সংকেতের মাধ্যমে বুঝবেন আপনি বুদ্ধিমান ব্যক্তি

যেমনটি আপনি জানেন যে রাতের দেরিতে ঘুমানো ভালো নয়. বেশি রাত অব্দি কোন কারণ ছাড়াই জেগে থাকা ভালো নয়. এই কথাটি আমরা ছোটবেলা থেকেই শুনে এসেছি. কিন্তু science এক আলাদা সিদ্ধান্ত দেয়. সেই সকল ব্যক্তিদের ব্যাপারে যারা দেরিতে ঘুমায়. আজকের এই পোষ্টটি শেষ অবধি অবশ্যই পড়বেন. কারণ আজকের এই পোষ্টটি আমি যে বিষয়ে আপনাদের বলতে চলেছি তার ninety five পার্সেন্ট ব্যক্তির সাথে প্রতিদিন ঘটে থাকে,

আপনি বুদ্ধিমান ব্যক্তি

আপনি বুদ্ধিমান ব্যক্তি
আপনি বুদ্ধিমান ব্যক্তি

আজকের এই পোষ্টটি আমি আপনাকে রাতে, তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়া ব্যক্তিদের এবং রাতে দেরিতে ঘুমোতে যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে তফাৎ গুলিকে বলতে চলেছি, ঘুমের সময়ের ফলে তাদের ব্রেন এবং দৈনন্দিন জীবনে কি কি প্রভাব পড়ে সেগুলি আজ আপনি জানতে চলেছেন. বিখ্যাত authorman ফ্রাংক্লিন বলেছিলেন যে early to bed and early to rise next a man healthy welly and wise, অর্থাৎ রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমানো এবং সকালে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠা,

অবশ্যই প্রয়োজন, এটি একটি ব্যক্তিকে স্বাস্থ্যবান এবং সমৃদ্ধিশালী তৈরি করে আর সত্যি বলতে কি জানেন আমাদের সংস্কৃতি বা কালচারও এমনটাই বলে থাকে. কিন্তু science অর্থাৎ বিজ্ঞানের হিসেবে যারা রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমায় তাদের তুলনায় যারা রাতে দেরিতে ঘুমায় তারা বেশি intelligent হয়ে থাকে. এবার এই কথাটি শোনার পর আপনি বেশি রাত অব্দি জাগতে শুরু করে দিয়েন না. কারণ research অনুযায়ী যারা সকালে তাড়াতাড়ি ড়ি ঘুম থেকে ওঠে তারা বেশি আশাবাদী বেশি শক্তিশালী ও বেশি স্বাস্থ্যবান হয়ে থাকে. আর শুধু তাই নয় বরং তাদের conscious level অনেক high হয়ে থাকে. আসলে যারা সকালে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে তাদের ব্রেনের MRIS scan এর মাধ্যমে জানা গেছে যে,

তাদের ব্রেনের pre-frontal cottics, খুব active ও powerful হয়ে থাকে. এই প্রিফা Cottage, আমাদের wheel power, অর্থাৎ ইচ্ছা শক্তিকে, আমাদের decision নেওয়ার ক্ষমতাকে বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে. আর এই wheel power বা ইচ্ছে শক্তিই হলো এমন একটি power. আমাদের বড় থেকে বড় কোন জিনিসকে পাইয়ে দিতে সাহায্য করে.

অর্থাৎ সকালে তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠা. শরীর ও মস্তিষ্কের জন্য খুব helpful. আর শুধু তাই নয়, আমাদের সকলকেই সকাল তাড়াতাড়ি অবশ্যই ঘুম থেকে ওঠা উচিত. কিন্তু যেমনটি আমি ভিডিও শুরুর আগে আপনাকে বললাম যে যারা রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমায় তাদের তুলনায় যারা রাতে দেরিতে ঘুমায়, তাদের ইন্টেলিজেন্স লেভেল অনেক বেশি হয়ে থাকে. এবার আপনার মনে এই প্রশ্নটি হয়তো অবশ্যই আসছে যে তাহলে কি আমিও বেশি রাত অব্দি জেগে থাকবো?

আপনি বুদ্ধিমান ব্যক্তি

তো বন্ধু বেশি রাত অব্দি জেগে থাকার আগে আপনাকে কিছু কথা জেনে রাখা উচিত যে সকল ব্যক্তিরা বেশি রাত অব্দি জাগে তারা বেশি সোশ্যাল হতে পারে না তারা সোসাইটির সাথে নিজেকে সিঙ্ক করতে পারে না পৃথিবীর যে সকল লোকেরা তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে ওঠে তারা তাদের দৈনন্দিন জীবনের thirty পার্সেন্ট কাজ সকালেই করে নেয়. কিন্তু যারা দেরিতে ঘুম থেকে ওঠে তারা তাদের সেই কাজ গুলিকে দেরিতে করতে পারে. এর ফলে তাদের কাছে সময় অনেক কম হয়ে যায়.

যে সকল লোকেরা দেরিতে ঘুমায়, তারা পরের দিনটিতেও দেরিতে ঘুম থেকে ওঠে, যার ফলে, তারা বাকি লোকেদের তুলনায় late হয়ে যায়. মনে করুন আপনি রাতে তিনটায় ঘুমোলেন. এবং সকালে এগারোটায় ঘুম থেকে উঠলেন. তাহলে এক্ষেত্রে আপনার সকাল শুরু হল এগারোটা থেকে. যেখানে বাকি লোকেদের সকাল শুরু হয়েছে ছটা থেকে. তাহলে আপনি বাকি লোকেদের তুলনায় পাঁচ ঘন্টা পিছিয়ে পড়লেন. কিন্তু যদি আপনি তিনটায় ঘুমিয়ে ছটায় উঠে পড়েন, তাহলে ঘুমের পরিমান কম হওয়ার ফলে আপনার ব্রেন ফাংশনে প্রবলেম তৈরি হয়ে যাবে. আপনার পুরো দিনটি আর ভালো লাগবে না.

এটি হলো white ম্যাটার. যারা রাতে দেরিতে ঘুমায় তাদের ব্রেনের এই white matter ধীরে ধীরে ক্ষয় হয়ে যায়. এই white matter এর পরিমাণ কমে যাওয়ার ফলে আপনার ব্রেনের হরমোনের Disbalance ঘটে. আর এই horm এর disbalance এর ফলে আপনার মধ্যে রাগ স্ট্রেস বিরক্তি ভাব এগুলির পরিমাণ বেড়ে যায়. আর এই কারণের জন্যেই যে সকল লোকেরা রাতের দেরিতে ঘুমায়, তাদের মধ্যে lack off উইল পাওয়ার, এবং লেজিনেস অর্থাৎ কম ইচ্ছাশক্তি এবং অলসতাকে লক্ষ্য করা যায়. কিন্তু বেশি রাত অব্দি জেগে থাকা লোকেদের ব্রেনের কটিজোন লেভেলের পরিমান বৃদ্ধি পায়.

এর ফলে এসকল লোকেরা কোনো জটিল সমস্যাকে খুব সহজে solve করতে পারে. এই সকল লোকেরা risk বা ঝুঁকি নিতে একেবারেই ভয় পায় না. যারা রাতে দেরিতে ঘুমায় তারা বাকিদের তুলনায় বেশি creative হয়. সকল লোকেদের বোঝার ক্ষমতা বাকিদের তুলনায় বেশি হয়. আর এই গুণগুলি তাদের intelligence কে বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে.একটি সংকেতের মাধ্যমে বুঝবেন আপনি বুদ্ধিমান ব্যক্তি

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button