কাহিনী

জেনে নিন ডোরেমন এর বাস্তব কাহিনী সম্পর্কে

ডোরেমন শব্দটির শোনেননি এমন মানুষ হয়তো খুঁজে পাওয়া যাবে না বিশেষ করে বাচ্চাদের কাছে এটা দারুণ পছন্দের নাম। এক জরিপে দেখা গিয়েছে। ডোরেমন হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি অর্থ উপার্জনকারী অ্যানিমেটেড সিরিজ তবে অনেকেই জানেনা জীবন সৃষ্টির পেছনে আছে এক বিরাট ইতিহাস। আজকের পোষ্টটিতে আমরা সেটি হাসি তুলে ধরব। আপনাদের সামনে রিমোট কন্ট্রোল রোবট ইরান 100% থেকে বর্তমান পৃথিবীতে এসেছেন। নোবিতা নোবি নামক এক স্কুলছাত্রীকে সাহায্য করতে মূলত এই দুই জনের নানান কর্মকাণ্ড কে ঘিরে গড়ে উঠেছে। ডোরেমন সিরিজের কাহিনী আপনারা অনেকেই হয়তো জানেন না এই কাহিনী মূলত বাস্তব ঘটনার উপর ভিত্তি করে লেখা 950 সালের দিকে জাপানের নোবিতা নোবি নামে একটি ছোট ছেলে ছিল ছেলেটির চোখের রোগে আক্রান্ত.

ডোরেমনে বাস্তব কাহিনী

মেমোরি এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা তাদের কল্পনার সব কিছুকে বাস্তব বিশ্লেষণ করে। ফলে তারা কল্পনা আর বাস্তবের মধ্যে কোন পার্থক্য ধরতে পারেন নোবিতা নোবি নামের সেই ছেলেটি। তার কল্পনা একটা অদ্ভুত আকৃতির বিড়াল দেখতে পেত বিড়ালটির নাম সে দিয়েছিল ডোরেমন। নবিতা ভাবতেই বিড়ালটির অস্তিত্ব বাস্তবেও আছে অদ্ভুত এই অসুখের জন্য অন্য বাচ্চারা নমিতাকে নিয়ে ঠাট্টা মশকরা করত। তা একসময় নবিতার নিজেকে তার রুমে বন্ধ করে দেয়। সেখান থেকে আর বের হয় না এ অবস্থা দেখে তার বাবা মা তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায় ডাক্তারের চিকিৎসায় রোগী তার অসুখ আস্তে আস্তে ভালো হয়ে যায়। সে বুঝতে পারে ডোরেমন আসলে তার কল্পনা ছাড়া কিছু অসুখ সেরে যাওয়ার পর নবিতা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। ডোরেমনের অস্তিত্ব বাস্তবে নেই এটা সে কিছুতেই মেনে নিতে পারে না.

সুন্দর নিঃসঙ্গ অনুভব করতে থাকে, এবং ডোরেমন বিহীন জীবনে তার পক্ষে বেঁচে থাকা সম্ভব নয় বলে, একসময় সে আত্মহত্যা করে বসে। এই ঘটনা কল্পনাপ্রবণ মানুষের মন কে নাড়িয়ে দেয়। আগে থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে জাপানি লেখক এর কাহিনী লিখতে শুরু করেন আকাশছোঁয়া সাফল্যের পরবর্তীতে এটি দিয়ে অ্যানিমেটেড সিরিজও তৈরি হয়। একসময় প্রকৃত সত্য ঘটনা অবলম্বনে কাহিনী শেষ করতে চান কিন্তু ডোরেমন ভক্তদের মধ্যে সড়ক আন্দোলন শুরু হয়। ফলে বাধ্য হয়ে ডোরেমনের কাহিনী বাড়াতে থাকেন। 1996 সাল পর্যন্ত ধরে রাখেন তবে তার মৃত্যুর পরও বিডি চলতে থাকে। পুজোর পর যারা ডোরেমনের কাহিনী লিপ্ত তারা রবিবার সৃষ্টি বন্ধ করে দেওয়ার প্রচেষ্টা চালায়। একবার দেখানো হয় যে ডোরেমনের ব্যাচ.

আরও পড়ুনঃ মেয়েদের ইসলামিক নাম

শেষ হয়ে যায় এবং কবিতার সেই সুখের অন্যরকম হয়ে যায় দীর্ঘ 35 বছর ধরে সাধনা করে এসে ডোরেমনকে ঠিক করতে সফল হয়। এই সাফল্য পেল ভক্তরা আরো এপিসোড এভাবে চালিয়ে যায়। দ্বিতীয়বার দেখানো হয় নবিতা তার ছোটবেলার বান্ধবী তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। সুজুকা প্রস্তাব গ্রহণ করলেও তাকে একশন ফুল খবর জানায় যে সুজুকা তাকে গ্রহণ করেনি। এই কারনে কষ্ট পেয়ে আত্মহত্যা করে কিন্তু কেউ মেনে নিতে পারেনি ভক্তি আন্দোলন শুরু করে। এরপর আবার নতুন করে জীবন শুরু হয় এরপর আর কেউ এটি শেষ করার চেষ্টা করেন বর্তমানে ডোরেমন অ্যানিমেটেড সৃষ্টির সারা পৃথিবীতে ব্যাপক জনপ্রিয় পাশাপাশি নোবিতা ডোরেমন এর বিভিন্ন অভিযানের উপর নির্ভর করে। প্রায় 32 টা মুভি তৈরি করা হয়েছে জরিমানাকে আমাদের দেশে হিন্দুদের প্রচলিত হলেও 2014 সাল থেকে বাংলায় ডাবিং হওয়া ধরে.

শুরু হচ্ছে মায়েরা কমপ্লেন ফর anti-doraemon বাচ্চাদের মধ্যে বিরূপ প্রভাব সৃষ্টি করেন। এটি দেখার ফলে বাচ্চারা অদ্ভুত কল্পনা করতে শুরু করেন অতিরিক্ত টিভি দেখার ফলে লেখাপড়া যেমন ক্ষতি হয়, তেমনি অল্প বয়সে চোখে কম দেখার সমস্যা সৃষ্টি হয়। তবে অধিকাংশ মানুষের মধ্যে পরিমাণ হচ্ছে একটি অমর বন্ধুত্বের প্রতি নোবিতা এবং ডোরেমনের অতৃপ্ত ভালোবাসা। বাচ্চাদেরকে বন্ধুত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে শেখায়.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button