সমাধান

পড়তে ইচ্ছে করে না? এটা দেখুন

পড়তে ইচ্ছে করে না। কি করবো?

সফলতা একদিনে আসে না। কিন্তু যদি দৃঢ় মনস্ত করে নেওয়া হয়। তাহলে একদিন অবশ্যই আসবে। আজ এই পোষ্টটির মাধ্যমে আমি স্টুডেন্টদের উদ্দেশ্যে বলছি, যে যদি সত্যিই কিছু ভালো জ্ঞান পেতে চান, সত্যি ভালো কিছু জানতে চান।

তাহলে আজকের এই পোষ্ট টি সম্পূর্ণ অবশ্যই পড়বেন। যদি কোনো কাজ থাকে তাহলে সেটি আগে করে নিন। তারপর দেখুন, কিন্তু সম্পূর্ণ অবশ্যই দেখুন।

নয়তো অর্ধেক ভিডিও দেখার স্কিপ করার পরিবর্তে, এখনই স্কিপ করতে পারেন। কোন অসুবিধা নেই। কারণ আমি চাইনা যে আপনার কাছে অর্ধেক নলেজ গিয়ে পৌঁছাক। এই পোষ্টটির মাধ্যমে আমি আপনাকে একটি রিয়েল টাইম টেবিল শেয়ার করতে চলেছি।

পড়াশোনা করার, আজ আমি আপনাকে এমন একটি টাইম table বলতে চলেছি। যা আপনার স্টুডেন্ট লাইফে অনেক কাজে দেবে।

এবং এই টাইম টেবিলটিকে যদি আপনি ঠিকমত ফলো করেন। তাহলে আমি সিওর যে আপনিও পরীক্ষায় একজন topper হতে পারবেন।

তো চলুন সব থেকে প্রথমে আমরা জেনে নিই। যে স্টুডেন্টরা কিভাবে তাদের টাইম টেবিল কে তৈরি করে। তো চলুন শুরু করি।

আপনার পড়তে ইচ্ছে করে না? কি করবেন?

মনে করেন ধরে নিলাম, যে আপনার স্কুল টাইমিং সকাল আটটা থেকে দুপুর দুটো পর্যন্ত। তো যদি আপনার টাইমিং আঁটাই হয়।

তাহলে আপনি সকাল ছটায় বা সাতটায় ঘুম থেকে ওঠেন। ঘুম থেকে ওঠার পর রেডি হন, ব্রেকফাস্ট করেন, তারপর স্কুলে যান।

এবং দুটো পর্যন্ত আপনি স্কুলেই থাকেন। বাড়ি ফিরতে ফিরতে বিকেল তিনটে বেজে যায়। তারপর আপনি কিছু খান। তারপর হয়তো আপনি টিভি দেখেন বা হয়তো খেলতে যান।

আর এগুলি করতে করতে চারটা বা পাঁচটা বেজে যায়। তারপর আপনি হয়তো ভাবেন। যে বিকেল পাঁচটা থেকে রাত্রি আটটা পর্যন্ত আমি পড়াশুনা করব। তিন ঘন্টা আমি পড়াশোনা করব।

তারপর আমি আরো একটু টিভি দেখবো। বা মোবাইল ফোন ঘাটবো। তারপর খাওয়া দাওয়া করে আমি দশটা থেকে এগারোটা পর্যন্ত। অর্থাৎ এক ঘন্টা আরও পড়বো। তারপর ঘুমিয়ে পরবো, কারণ সকালে তাড়াতাড়ি উঠতে হবে স্কুল যেতে হবে।

ধরে নিলাম যে এই রুটিনটি আপনার লাইফেও applicable. তো এক্ষেত্রে যদি হিসেব করা হয়। তাহলে পাওয়া যাবে যে পড়াশোনার জন্য কেবলমাত্র চার ঘণ্টা সময় দেন।

আর এই চার ঘণ্টা কে তো কেবলমাত্র আপনি decide করছেন। যে হ্যাঁ, এতক্ষণ আমি পড়বো। কিন্তু এই চার ঘণ্টার মধ্যে আপনি কতটুকু পড়েন?

তার সম্পূর্ণভাবে আপনার উপর করে। দেখুন লাইফ এ যদি এমন কিছু জিনিসকে অর্জন করতে চান। যা আজ পর্যন্ত আপনি অর্জন করতে পারেননি। তাহলে ততটাই hardwork করতে হবে। যা আজ পর্যন্ত আপনি করেননি।

আশা করছি এই কথাটির আপনি বুঝতে পেরেছেন। আপনি কি জানেন যে আপনি সব থেকে বড় ভুল করছেন। আপনি সারাদিনে পাওয়া চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে থেকে কেবলমাত্র চার ঘন্টা study র জন্য ব্য্য করছেন।

এটিই হলো সব থেকে বড় ভুল আপনার। আপনাকে ঠিক এর বিপরীত করতে হবে। চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে থেকে আপনাকে রেডি হওয়া স্কুল যাওয়া, খাওয়া দাওয়া, বিনোদন দেখা, ঘুমানো এই সকল টাইম গুলি থেকে কিছু কিছু করে টাইম less করতে হবে।

এবং বাকি সম্পূর্ণ সময়টি আপনাকে পড়াশুনার জন্য দিতে হবে। আপনার কাছে মোট চব্বিশ ঘণ্টা রয়েছে। আপনার স্কুলের জন্য আমি ৬ ঘণ্টা ধরে নিলাম। আপনার ঘুমের জন্য আমি ৬ ঘণ্টা ধরে নিলাম।

আপনার ঘুমের জন্য আমি সাত ঘণ্টা আরও অ্যাড করে নিলাম। টোটাল হল তেরো ঘণ্টা। Fresh হওয়ার জন্য রেডি হওয়ার জন্য খাওয়া দাওয়া করার জন্য। খুব জোর হলেও তিন ঘন্টা লাগে। তো টোটাল হলো ষোলো ঘণ্টা।

তো চব্বিশ ঘণ্টা থেকে এই ষোলো ঘন্টাকে আপনি মাইনাস করুন। অর্থাৎ আপনার কাছে আট ঘণ্টা extra রয়েছে। এই আট ঘণ্টা কে আপনি সম্পূর্ণভাবে কেবলমাত্র পড়াশোনার জন্য দেবেন।

এই আট ঘণ্টা কে কোনমতেই ফালতু জায়গায় খরচ করে দেওয়া যাবে না। এই আট ঘণ্টা আপনি পড়াশোনার জন্যই দেবেন। দৃঢ় মনস্থ করে নিন।

যে আমি এই আট ঘন্টাকে কোনমতেই ফালতু এবং entertaining কাজে খরচ করব না। পেট্রল পাম্পে কাজ করা এক দরিদ্র ছেলে যদি এই দেশের সবথেকে ধনী ব্যক্তি তৈরি হতে পারে। তো আপনি কি সামান্য একটি exam কে crack করতে পারবেন না?

আপনি কি topper হতে পারবেন না? সকল ফালতু কাজ গুলিকে দূরে সরিয়ে রেখে। প্রতিদিন এই আট ঘন্টাকে আজ থেকেই পড়াশোনার কাজে লাগিয়ে দিন। I am sure যে আপনাকে topper হতে কেউ বাধা দিতে পারবে না।

উপসংহার

আশাকরি আজকের ব্লগটি আপনাদের ভালো লেগেছে। তো বন্ধু আপনি কত ঘন্টা পড়াশোনা করেন। তা নিচে কমেন্ট বক্সে অবশ্যই জানাবেন. ধন্যবাদ

One Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button