Uncategorized

ফোনের নেশা পার্ট ১ – বেতন বিহীন শ্রমিক

Two thousand eight hundred twenty three জানেন? এই নম্বরটির মানে কি? এটা হলো সেই নাম্বার যা একটি এভারেজ ব্যক্তি চব্বিশ ঘন্টায় তার ফোনের স্ক্রিনকে টাচ করে. বাট ওয়েট এই ডেটাটি দুহাজার ষোলো সালের. আর কারেন্ট year এ এই সংখ্যাটি হলো approximate seven thousand three hundred seven, অর্থাৎ আজ একটি এভারেজ ব্যক্তি চব্বিশ ঘন্টায় প্রায় সাত হাজার তিনশো সাত বার তার স্মার্ট ফোনের স্ক্রিন গেট টাচ করে. সাইন্স যে টেকনোলজি হলো এমন একটি টুল,

আরও পড়ুনঃ ইফতারের দোয়া

যার দ্বারা আমরা আমাদের ডে টু ডে লাইফকে ইজি বানাতে পারি. কিন্তু আজ এই মহান টুল বা টেকনোলজিকে এত নোংরা ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে যা হিউম্যান ইমাজিনেশন ক্রস করে গেছে. টেকনোলজি ততক্ষণ পর্যন্তই আশীর্বাদ ছিল. যতক্ষণ পর্যন্ত স্মার্ট ফোন মার্কেটে আসেনি. ফোন, প্রতিদিন, স্মার্ট হয়ে যাচ্ছে এবং মানুষ হয়ে যাচ্ছে বোকা. আমি ক্ষমা চাইছি যে যদি এই কথাটিতে আপনার খারাপ ে থাকে. কিন্তু এই কথাটি হান্ড্রেড পার্সেন্ট সত্য আজ এই পোষ্টটিতে আমি আপনাকে এই স্মার্ট ফোন যার দ্বারা আপনি এই ভিডিওটি দেখছেন তার ব্যাপারে এমন কিছু নোংরা সত্যতাকে জানাতে চলেছি. যেগুলিকে জানা, আপনার অবশ্যই প্রয়োজন কারণ আপনি এই পোষ্টটি দেখছেন অর্থাৎ আপনি নিজেও একজন স্মার্ট ফোন ইউজার.

একজন এভারেজ ব্যক্তি এক দিনে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা তার স্মার্টফোন কে দেয়. তার মানে একজন এভারেজ ব্যক্তি তার সারা জীবনে দশ বছর চার মাস. নিজের ফোনকে use করে কাটিয়ে দেয়. Stip jobs. আইফোনকে তৈরি করে মার্কেটে এক revolution কে নিয়ে এসেছে তো ঠিকই. এক billion এর থেকেও বেশি iPhone. মার্কেটে বিক্রি তো হয়েছে ঠিকই. কিন্তু আপনি কি জানেন যে সে তার ছেলে মেয়েকে আইফোন ইউজ করতে দেয় না. ইনফ্যাক্ট কোন স্মার্টফোনই ইউজ করতে দেয় না. ফেসবুকের প্রস্তুত কর্তা মাস্ক জাকারবার্গ সারাদিন Facebook করে না. কারণ সে নিজেও এটা জানে যে এটা একদম ফালতু জিনিস. সে তো এই কাজে লেগে রয়েছে যে কিভাবে এই Facebook কে আরো attractive বানানো যায় public এর কাছে যাতে লোকেরা আরো বেশি টাইম এই application গুলির ওপর স্পেন্ড করে.

Ninety five পার্সেন্ট users ঘুমানোর আগে তার Smartphone কে use করে. এই পৃথিবীতে বহু ধরনের addiction রয়েছে কেউ Facebook এ addicted কেউ WhatsApp এ addicted, কেউ Instagram এ addicted, আবার কেউ YouTube এ addicted. কেউ smoking এ addicted, কেউ alcohol এ addicted. আবার সম্পূর্ণ স্মার্ট ফোনেই addicted. আজ আমরা এই স্মার্ট ফোন apps. এবং হ্যাঁ, এই নোটিফিকেশনের ক্রীতদাস হয়ে গেছি. নোটিফিকেশন আসতেই আমাদের মন চঞ্চল হয়ে যায়. অর্থাৎ লাইফে কোন ইম্পরট্যান্ট একটি কাজকে করার সময়ও যদি notification আসে তো সেই important কাজকে ফেলে দিয়ে আমরা notification check করি. No matter সেই notification টি আদৌ কোন কাজের কিনা? কিন্তু আমাদের লাইফ এর ইম্পরট্যান্ট কাজকে বাদ দিয়ে সেটিকে চেক করতেই হবে.

Ninety পার্সেন্ট এর থেকেও বেশি লোক, কাজ করাকালীন, স্মার্ট ফোনে আসা কোন notification কে pick করে. এবং কিছু লোক তো এমনও রয়েছে যারা প্রতি পনেরো মিনিট পর পর নিজের ফোনকে check করে যে কোন notification এলো কিনা? Notification না এলেও ফের আরেক সমস্যা যে notification কেন আসছে না? আবার কখনো কখনো লোকেরা তো বিনা কারণেই নিজের ফোন check করে শুধুমাত্র এই জন্যেই যে Facebook বা WhatsApp এ একটি পোস্ট দিয়েছিলাম সেটাতে কতগুলি লাইক এলো লোকেদের কি reaction এলো কতজন দেখলো, এই জিনিস গুলি check করার জন্যে বারবার আমরা এই application গুলিতে enter করি. আর যাই তো শুধু মাত্র check করার জন্যে. কিন্তু ঘন্টার পর ঘন্টা Spend করে ফিরে আসি. লোকেরা ফোটো কে edit করে.

এতটা creative এতটা good looking বানিয়ে দেয় যে reality র সাথে কোন মিলই নেই. এবং সেই ফোটোকে, Facebook, Instagram, বা অন্য কোন সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করে. এবং এটা শো করাই যে আমি কতটা ভালো আছি কতটা আনন্দে আছি এবং তুমি কতটা খারাপ আছো দুঃখে আছো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা সেভেনটি ফাইভ পার্সেন্ট জিনিসই ফেক হয় পোস্টগুলিকে এডিট করে পোস্ট গুলিকে বেস্ট বানিয়ে লোকেদের দেখানো হয়. কোন ব্যক্তি এই সোশ্যাল মিডিয়া গুলিতে, নিজের রিয়ালিটিকে দেখাতে চায় না. আর অবাক করার কথা হলো এই যে যদি আপনি সেই ব্যক্তির behind the scene লাইফ কে দেখেন তাহলে দেখতে পাবেন যে তাদের লাই এবং আপনার লাইফ এর মধ্যে কোনো তফাৎই নেই তারাও দুঃখী তারাও লাইফ এর বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছে but interesting fact হলো এই যে আমরা তাদের পোস্ট গুলিকে দেখে দুঃখী হচ্ছি যতটাই আপনি এই সোশ্যাল মিডিয়ার fake w প্রবেশ করবেন ততটাই আপনি নিজেকে দুঃখী পাবেন.

পোস্ট কে এডিট করা ফিল্টার অ্যাড করা আপলোড করা ডেলি বেসিসে কাজ করা এগুলি আমরা করছি বা কার জন্যে তার জন্যে যাদেরকে আমরা ঠিক মতো জানি না. সোশ্যাল মি use করার সময় যখন কোনো ব্যক্তিকে আমাদের থেকে খারাপ দেখতে পায় তখন আমরা নিজেকে তার সাথে compare করে নিজেকে ভালো মনে করেনি. কিন্তু যখন কোনো ব্যক্তি আমাদের থেকে বেশি সুন্দর দেখায় তখন আমরা নিজেকে তার সাথে compare করে নিজেকে খারাপ ভেবে নি. কিন্তু আপনি কি জানেন যে না আপনি কারোর থেকে ভালো এবং না আপনি কারোর থেকে খারাপ আপনি অতুলনীয়. আপনি যেমনই হন না কেন আপনি আপনি আশা করছি যে এই কথাটির গভীরতা কি আপনি বুঝতে পেরেছেন.

যে ব্যক্তি এই রিয়ালিটিকে accept করে নেবে, সে কোনদিনই এই ফালতু depression এবং অ্যানজাইটির প্রভাবেও পরবে না. লোকেরা সেই সকল প্রবলেম গুলিকে problems মনে করছে. যা actually প্রবলেম ই না. আর যা actually প্রবলে তার ওপর কারো ধ্যানে নেই. কেন জানেন? কারণ আমরা এই useless প্রবলেম গুলিকে overcome করতে পারছি না. একটি research অনুযায়ী সোশ্যাল মিডিয়া আমাদের মধ্যে তুলনা করার Comparison এর feelings কে বাড়িয়ে আর এই কম্পিউম আমাদের self confidence কে কমিয়ে দেয়. দেখুন এই পৃথিবীতে বহু ধরনের লোক রয়েছে. আপনি শুইয়ের সাথে তরবারির তুলনা করতে পারবেন না. দরবারির কিছু পার্টিকুলার কাজ রয়েছে যা সই করতে পারবে না.

আবার শুয়েরও কিছু পার্টিকুলার কাজ রয়েছে যা তরবারি করতে পারবে না. তাই আমরা শুয়ের তুলনা তরবারির সাথে করে শুইকে ভালো বা খারাপ বলতে পারি না. তাই না? ঠিক একই রকমভাবে এই ফেক জিনিসগুলিকে রিয়েলিটির সাথে তুলনা করা আপনার ঠিক নয় যা দেখানো হচ্ছে তা সবই fake আর এই fake জিনিসগুলিকে আমরা যার সাথে compare করছি সেটা হলো reality সোশ্যাল মিডিয়ার সাহায্যে লোকেরা অন্যের লাইফ এর সমস্ত ইনফরমেশন কে তো খুঁজে পেয়ে যায় ঠিকই কিন্তু নিজেরই লাইফ এর কোনো ঠিক ঠিকানা থাকে না যে আমাদের লাইফে কি হচ্ছে অস্ট্রেলিয়ার একটি ইউনিভার্সিটির স্টডি অনুযায়ী প্রতি দশ জন ব্যক্তির মধ্যে থেকে নয় জন ব্যক্তি অ্যানজাইটির শিকার হয়ে যায় যখন তাদের ফোনের ব্যাটারি low হয়ে যায়।

যেমনটি আপনি জানেন যে একদিনে আমাদের মাইন্ডে প্রায় ষাট হাজার thoughts আসে. আর এই ষাট হাজার thoughts নির্ভর করে এই বিষয়টির উপর, যে আমরা কি দেখি কি শুনি কি বলি, এবং কি পড়ি. কিন্তু আমরা দেখছি কি? শুনছি কি, ভাবছি কি, যা আমরা দেখব. শুনবো, ঠিক তেমনই আমাদের thoughts হবে. আর তেমনই আমাদের thoughts হবে, তেমনই আমরা ভাববো.

যা আমরা ভাববো, তাই আমরা করব, এবং যা আমরা তেমনই স্বভাবের আমরা হতে থাকবো মোবাইল কোম্পানি’s সব সময় এই চেষ্টায় লেগেই থাকে অ্যাপ ডেভলপার সবসময় এই প্রচেষ্টায় লেগে থাকে যে কিভাবে এগুলিকে আরো অ্যাট্রাক্টিভ বানানো যায় যাতে লোকেরা আরও বেশি যেন এগুলিতে spend করে. একটি research এও বলে যে ব্যক্তি যত বেশি সোশ্যাল মিডিয়ায় use করে সেই ব্যক্তি real লাইফ এ ততই বেশি নিজেকে একা feel করে. যতই আমরা সোশ্যাল মিডিয়ার সাথে connect হতে থাকবো ততই আমরা য়েল লাইফে নিজেদের স্বজনদের সাথে disconnect হতে থাকবো. no doubt যে এটি আমাদের লাইফ কে অনেকটা easy করে দিয়েছে.

No down যে এটি আমাদেরকে বহুভাবে হেল্প করেই চলেছে. no doubt যে এর মাধ্যমে আপনি সারা পৃথিবীর সাথে connect হতে পারছেন বিভিন্ন ইনফরমেশন কে নিজের হাতে পেয়ে যাচ্ছেন তার সব থেকে ভালো একটি example হলো এই ভিডিও টি কিন্তু ততক্ষণ পর্যন্তই যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি এটিকে কন্ট্রোল করবেন স্মার্ট ফোন নয় বরং জীবনের একটি ছোট আর একে এই ছোট অংশ হিসেবেই রাখাটা ঠিক. যেদিন এটি আপনার জীবন হয়ে যাবে সেদিন এটি আপনাকে ধ্বংস করে দেবে. এবার আপনি হয়তো বলবেন যে আপনি তো স্মার্ট ফোন এবং সোশ্যাল মিডিয়ার দুর্নাম করে গেলেন. আমরা যদি স্মার্ট ফোন না করি তাহলে আপনার ভিডিওই বা দেখবে কে? দেখুন আমি আপনাকে এই ভিডিওটির মাধ্যমে স্মার্ট ফোন এবং সোশ্যাল মিডিয়া র disadvantage গুলিকে বললাম. আমি সম্পূর্ণ ভিডিওটিতে এটা কোথাও বলিনি যে আপনি স্মার্ট ফোনকে use ছেড়ে দিন. স্মার্ট ফোন প্রবলেম নয়,

স্মার্ট ফোনের কারণে যে প্রবলেম গুলি ক্রিয়েট হচ্ছে সেগুলির প্রবলেম. যদি আপনি আমার এই কথাগুলিতে সহমত হয়ে থাকেন, এবং যদি আপনি এই প্রবলেমটির সমাধান নিয়ে বা টু কে চান, তাহলে নিচে কমেন্ট বক্সে অবশ্যই জানাবেন এবং পোষ্টটিকে শেয়ার করবেন আপনার সেই সকল বন্ধুকে যারা এই স্মার্ট ফোন এবং সোশ্যাল মিডিয়ার মিথ্যা জগতের এই ট্র্যাপে পড়ে গেছে.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button