Uncategorized

মোবাইল ফোনের নেশা পার্ট ২ – বেতন বিহীন শ্রমিক

মোবাইল ফোনের নেশা

আজকের এই পোষ্টটি শেষ অবধি অবশ্যই দেখবেন কারণ আজকের এই পোষ্টটি knowledge এর ভান্ডারে পরিপূর্ণ রয়েছে. একজন মানুষের বেঁচে থাকার জন্যে তিনটি basic জিনিসের প্রয়োজন. খাবার, পরনের কাপড়, এবং ঘর.

প্রাচীনকাল থেকেই বেঁচে থাকার জন্যে, মানুষের এই তিনটি common জিনিসের প্রয়োজন ছিল. কিন্তু বর্তমানে এর সাথে আরও একটি জিনিস add হয়ে যাচ্ছে. যা হলো smartphone.

আর একটু observe করলে, এটা পনিও বুঝতে পারবেন যে আজ এই টোয়েন্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরিতে স্মার্ট ফোন আমাদের জীবনের একটি অংশ হয়ে গেছে. তাই না?

বাট remember one thing, স্মার্ট ফোন আর good servant but a bad master, আমার এক বন্ধু, এর আগের ভিডিওটিতে কমেন্ট করেছিল যে আমি তো আমার স্মার্টফোন কে এডুকেশনাল পারপাসে ইউজ করি।

অবশ্যই এটা যতই আপনাকে কন্ট্রোল করার চেষ্টা করুক না কেন এটা সম্পূর্ণভাবে আপনার উপর নির্ভর করবে আপনি এটিকে কোন কাজের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছেন?

যদি আপনি এটিকে ভালো কাজের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করেন তাহলে কোনদিনই এটি আপনার ক্ষতি করতে পারবে না. এই পৃথিবীর প্রতিটি ব্যক্তিরই কোন না কোন গোলস বা লক্ষ্য রয়েছে. অনেকে সেই ভেদ করার জন্য প্রচুর পরিশ্রমও করছে.

কিন্তু আজ ফোরটি পার্সেন্ট স্মার্ট ফোন ইউজারদের একমাত্র লক্ষ্য হল দিনের ওয়ান পয়েন্ট ফাইভ জিবি ডেটাকে কিভাবে শেষ করা যাবে? আমরা প্রতিদিন সাত থেকে আট গ্লাস জল পান দুই বা তিন বেলা খাবার খাই কেন এটা আমাদের নিট শরীরের জন্যে এটা প্রয়োজন।

এটা addiction নয় তো ঠিক একই রকম ভাবে যখন কোনো student অনলাইন ক্লাস বা presentation এর নেই. এই technology অর্থাৎ এই mobile কে use করছে বা কোনো ব্যক্তি কারো সাথে যোগাযোগ করছে.

বা কোনো ইনফরমেশন কে collect করছে এগুলিও হলো এক প্রকার নিট মোবাইল চালিয়ে যদি আপনি ভালো কিছু শেখেন যদি আপনি ভালো কিছু শোনেন ভালো কিছু দেখেন এককথায় ইউজফুল কোন জিনিসকে যদি আপনি আপনার এই স্মার্ট ফোন দ্বারা শেখেন তাহলে একদম ঠিক আছে.

আর সত্যি বলতে কি technology কে এই purpose এই তৈরী করা হয়েছে. মানব জাতির কাজের জন্যে মানবজাতির ভালোর জন্যে শেখার জন্যে জানার জন্যে দৈনন্দিন কাজগুলিকে সহজ করার উদ্দেশ্যেই technology কে তৈরী করা হয়েছে।

আর বর্তমানে এই ডিজিটাল world এ এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাও পালন করছে. তো প্রশ্ন নয় যে আমরা মোবাইল ফোনকে কিভাবে ছাড়বো? প্রশ্ন এটা যে কিভাবে আমরা এই মোবাইল ফোনের ব্যবহারকে কমাবো।

এডিকশন তখনই বলা হবে যখন আপনি বারবার বিনা কারণে ফেসবুক, হোয়াটস্যাপ, ইনস্টাগ্রাম, সকল অ্যাপ্লিকেশানগুলিকে ওপেন করছেন. বিনা কারণে বারবার আপনি একই ছবির লাইকস রিএকশান চেক করছেন.

বিনা কারণে ঘন্টার পর ঘন্টা গেম খেলে যাচ্ছেন. এটা হল অ্যাডিকশান. তো প্রশ্ন হল এই যে কিভাবে এই স্মার্ট ফোনের addiction থেকে নিজেকে মুক্ত করবো.

Number one us it as a reward. অর্থাৎ নিজের স্মার্ট ফোনকে as a reward হিসেবে ব্যবহার করুন. এতে কি হবে এতে আপনি নিজের কাজকেও করতে পারবেন এবং আপনি নিজের স্মার্টফোনকেও ইউজ করতে পারবেন.

ফরেকজাম্পেল. যদি আপনি একজন স্টুডেন্ট হন, তাহলে আপনি ফিক্সড করে নিন. যে আগে আমি দু ঘণ্টা পড়াশোনা করবো তারপর তিরিশ মিনিট মোবাইল ফোন চালাবো. Otherwise আমি ফোন চালাবো না.

নিজের wheel power কে strong রেখে decision নিন. এমন যেন না হয় যে আপনি পড়াশোনা করলেন না এবং তিন ঘন্টা চার ঘন্টা ফোন চালালেন.

Commitment র পর সেই commitment অনুযায়ী আগে দু ঘন্টা পড়াশোনা করুন তারপর ফোন চালান. Number two replaceed with a good habit. একটু মনোযোগ দিয়ে শুনবেন. এই points টি আপনাকে আপনার bad habit গুলির।

অর্থাৎ আপনার খারাপ অভ্যাসগুলির জায়গায় কোন গুড হ্যাবিট কে রিপ্লেস করতে প্রচুর মাত্রায় সাহায্য করবে। কোন খারাপ অভ্যাস কে রিপ্লেস করে সেখানে একটি নতুন ভালো অভ্যেসকে বিল করার এটি একটি ইউনিভার্সেল।

আর সেটা হল এই যে আপনি খারাপ অভ্যাসগুলিকে ভালো অভ্যেসের সাথে রিপ্লেস করে দিন। কিন্তু মনে রাখবেন যে যে ভালো এবং নতুন অভ্যেসটি আপনি বিল করছেন তা যেন সেই পুরনো অভ্যাসের থেকে বেশি এক্সাইটেড হয়।

অর্থাৎ আপনি এমন একটি ভালো অভ্যেস কে তৈরী করুন এবং তার ওপর কাজ করুন যার মধ্যে মোবাইল চালানোর থেকেও বেশি excitement রয়েছে। Two hundred পার্সেন্ট guarantee দিচ্ছি যে এই টেকনিকটি শুধুমাত্র আপনার মোবাইল চালানোর অভ্যেসকেই নয়।

বরং আরো অন্যান্য খারাপ অভ্যাসগুলিকেও আপনার মধ্যে থেকে দূর করে দেবে। Condition শুধু একটাই যে নতুন habbit টি যেন পুরোনো habit এর থেকে বেশি excited হয়।

Third point ই হলো এই যে আপনি সেই সকল apps গুলির notification গুলিকে বন্ধ  করে দিন। যেগুলি আপনাকে ডিস্টার্ব করে সত্যি বলতে কি আমাকে WhatsApp এর notification খুব disturb করে। তাই আমি আমার WhatsApp এর notification off করে দিয়েছি।

যদিও এটা আজ নয়, এক বছর আগে থেকেই বন্ধ রেখেছি। আর এতে আমার অনেকটা সময় বেঁচে যায়। সারাদিনে বড়জোর হয়তো দশ থেকে পনেরো মিনিট use করি।

মাঝেমধ্যে ওপেন করতে হয় কোনো কাজের জন্য। আগে WhatsApp এ massage এলে reply দিতে হতো, reply না দেওয়া অব্দি আবার সেই নোটিফিকেশনের কথা মনে পড়তো।

কিন্তু এখন সারাদিনে একটি নির্দিষ্ট টাইমে হোয়াটসঅ্যাপকে ওপেন করে সকলকে রিপ্লাই দিয়ে দেই। দেখা করার থাকলে face to face দেখা করুন তাই না।

Number four এবং most important point think about your লাইফ and your career. যদি কোন ব্যক্তি সত্যিই তার লাইফে serious থাকে তাহলে সেই ব্যক্তির এটা যায় আসে না।

যে WhatsApp বা Facebook এ upload করা ছবিটিতে কতগুলি লাইকস এলো কতগুলি রিঅ্যাকশন এলো তার এডিকশন আপনা আপনি ছুটে যাবে। যে ব্যাক্তি তার লাইফ কে নিয়ে সিরিয়াস রয়েছে।

যে ব্যক্তি লাইফে বড় কিছু করার মাইন্ডসেট রাখে। তার ধ্যান কোনদিনই এই ছোট জিনিসগুলির ওপর যাবে না। Serious হয়ে নিজেকে এটা প্রশ্ন করুন যে, এগুলো আমি করছি কি? কেন করছি? আদৌ কি এগুলি আমার কাজের?

শেষ কথা

আশাকরি আজকের এই মোবাইলে ফোনের নেশা নিয়ে সেরা মোটিভেশনাল পোস্টটি আপনাদের ভালো লেগেছে। যদি ভালো লাগে তাইলে এই পোস্ট এর প্রথম পার্টটিও দেখতে পারেন। প্রথম পার্টটি দেখতে এখানে ক্লিক করুনএখানে ক্লিক করুন

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button