Uncategorized

আজ থেকেই সময়ের মুল্য বুঝেন এবং লাইফে সফল হন!

জানেন? একটি কথা আছে টাইম is money. কিন্তু সত্যি বলতে কি জানেন? এই সময় টাকার থেকেও মূল্যবান। আপনি যে টাকাকে খরচ করে ফেলেছেন। সেটি আবার অর্জন করে নিতে তো পারবেন ঠিকই।

কিন্তু আপনি আপনার জীবনের যে সময়গুলিকে নষ্ট করেছেন। সেগুলিকে হাজার চেষ্টার পরেও আর অর্জন করতে পারবেন না। আপনি যতই ধনী বেক্তি হন কেন, আপনার কাছে যত টাকাই থাকুক না কেন, এই সময়কে আপনি কিনতে পারবেন না।

একবার যদি কোন সময় পার হয়ে চলে যায়। সেটিকে আপনি কোনদিন আর ফিরে পাবেন না। কারণ এই টাইম গ্রীষ্ম বর্ষার মতো কোনো সিজন নয়। যে বার বার আপনার কাছে আসবে। তাই সময়ের মূল্য কে আপনার বোঝা উচিত।

জেনে নিন সময়ের মুল্য কতটুকু?

আপনি বলেন যে সঠিক সময়ে আসুক তারপর আমি এই কাজটি শুরু করব। কিন্তু আপনি কি জানেন কোন কাজকে শুরু করার জন্য যে কোন সময়ই সঠিক সময়। you can start anytime. একটি এভারেজ ব্যক্তি সাধারণত ষাট বছর বাঁচে।

আর এই ষাট বছরের মধ্যে আমরা কেবলমাত্র দশ বছর পাই আমাদের স্বপ্নকে পূরণ করার জন্য। নিজের নাম সাক এগুলিকে অর্জন করার জন্য কেবলমাত্র দশ বছর পেয়ে থাকি। আমরা আপনি আপনার জীবনে প্রায় পঁচিশ বছর ঘুমিয়ে কাটিয়ে দেন। এই ষাট বছরের মধ্যে থেকে চোদ্দ থেকে পনেরো বছর তো নিজের শিক্ষার কাজে, অর্থাৎ স্কুল কলেজ এগুলি কমপ্লিট করতেই লেগে যায়।

এই সিক্সটি ইয়ারের মধ্যে আপনি নিজের এন্টারটেইনমেন্টের জন্য প্রায় আট থেকে দশ বছর খরচ করে। চার থেকে পাঁচ বছর আপনি খাওয়া দাওয়া গল্প গুজবেই কাটিয়ে দেন। যদি এভারেজ হিসাব দেখা হয় তাহলে আপনি আপনার লাইফের ষাট বছরের মধ্যে থেকে কেবল দশ বছর পান বড়ো কিছু ভালো কিছু করার জন্য।

যদি আপনার মধ্যে জেদ থাকে তাহলে দশ বছরই যথেষ্ট বড় কিছু করার জন্য। আপনি নিজেকে প্রশ্ন করুন সারাদিনে আপনি যে চব্বিশ ঘন্টা পেলেন, সেটিকে কোথায় কোথায় কাজে লাগালেন? এই চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে আপনি আপনার লক্ষ্য পূরণের জন্য কত সময় দিলেন?

নাকি আজকের চব্বিশ ঘণ্টা ঠিক আপনি ফালতু waste করে দিলেন। আপনার কাছে কি এখনো ঘুমানোর খেলার ঘোরার আড্ডা দেওয়ার সময় আছে? আপনি নিজেকে এই প্রশ্নগুলি করুন। ঘুমোনোর খেলার ঘোরার আড্ডা দেওয়া, ফোনে গার্লফ্রেন্ড বা বয়ফ্রেন্ডের সাথে বেহিসাবি কথা বলার একদমই সময় নেই।

যখন আপনি সময়ের রেস্পেক্ট ও সৎব্যবহার করা শিখবেন। তখন সময়ও আপনাকে রেস্পেক্ট করবে। যদি আপনাকে প্রতিদিন ছিয়াশি হাজার চারশো টাকা দেওয়া হয়। তাহলে নিশ্চয় আপনি খুব খুশি হবেন।

তাই না? আর আপনি নিশ্চয় চাইবেন না যে সেই ছিয়াশি হাজার চারশো টাকা থেকে একটাকাও ফালতু কাজের জন্য খরচ হোক। ঠিক একইরকম ভাবে আপনি প্রতিদিন ছিয়াশি হাজার চারশো second পান। আর এই ছিয়াশি হাজার চারশো second কে আপনি কিভাবে কাজে লাগান?

একবার নিজেকে প্রশ্ন করুন। তার মানে কি এক সেকেন্ডের মূল্য এক টাকার থেকেও কম? আমরা আমাদের জীবনের এই অমূল্য সম্পদকে বোকার মতো খরচ করেই চলেছে। আপনি যে অর্থকে খরচ করে ফেলেছেন। সেটিকে আবার উপার্জন করে নিতে পারবেন।

কিন্তু এই সময়কে যদি একবার খরচ করে দেন তখন হাজার লক্ষ্য চেষ্টার পরেও সেটিকে আর উপার্জন করতে পারবেন না। সময়ের অপচয় করা আত্মহত্যার সমান। আর এই সময়কে ওয়েস্ট করে আজ পর্যন্ত কেউ সফল হতে পারেনি। অতীতে কি হয়েছিল? তা ভুলে যান।

অতীত কে নিয়ে আফসোস দুঃখ প্রকাশ করে লাভ নেই। কারণ অতীত আপনার কন্ট্রোলে ছিল না। কিন্তু আজকের এই চব্বিশটি ঘন্টা আপনার, শুধু আপনার। এই চব্বিশ ঘন্টাকে কেউ ছিনিয়ে নিতে পারবে না। আজ থেকে নিজের জীবনকে নতুন করে শুরু করুন।

দেখবেন ভবিষ্যৎ আপনার হাতের মুঠোয় আসবে। এই পৃথিবীর প্রতিটি ব্যাক্তি একদিনে চব্বিশ ঘন্টায় পেয়ে থাকে। কেউ কম নয় আবার কেউ বেশিও নয়। কিছু কিছু লোক এই সময়ের সৎ ব্যবহার করে নিজের জীবন একজন সফল ব্যক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়।

আর কিছু কিছু লোক এই মূল্যবান সময়কে মূল্যহীন মনে করে ফালতু খরচ করে এবং সারাজীবন দুঃখ প্রকাশ করতে থাকে। তাই আজ যদি আপনি এই সময়ের মূল্যকে বুঝতে পারেন। তাহলে আগামীকাল এই সময় আপনাকে পুরস্কৃত করবে।

তাই সময়ের মূল্যকে বুঝুন এবং নিজের জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে আনন্দের সহিত উপভোগ করুন।

শেষকথা

একটি কথা জেনে রাখুন যে, আজ যেভাবে আপনি সময়কে নষ্ট করছেন আগামীকাল এক এমন সময় আসবে। যখন এই সময় আপনাকে নষ্ট করে দেবে। আপনার আগেই বাকি এটা যদি সফলতা পেয়ে যায়, তাতে দুঃখের কোনো কারণ নেই।

দুঃখ প্রকাশ না করে আপনি আপনার লক্ষ্যে এগিয়ে যান। নিজের ভাগ্যে যা আছে সেটিকেই স্বীকার করে নেওয়ার পরিবর্তে নিজের ভাগ্যকে বদলানো শুরু করুন। তাই সময়কে কোনদিন নষ্ট করবেন না। প্রতিটি সেকেন্ড প্রতিটি মুহূর্তকে আনন্দের সহিত উপভোগ করুন। এবং নিজের জীবনে কাজে লাগান। আজকের মতো এই পর্যন্তই। ধন্যবাদ

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button