টিপস

দীর্ঘক্ষণ রাত জেগে পড়াশুনা করার উপায়

যদি আপনি একজন স্টুডেন্ট হয়ে থাকেন। তাহলে আজকের এই পোষ্টটি আপনার জন্য। বেশিরভাগ স্টুডেন্টদেরই সব থেকে বড় প্রবলেম হলো এই যে তারা রাতে পড়াশুনা করতে চায় তো ঠিকই।

কিন্তু রাতে পড়াশোনা করতে না পারার, সব থেকে বড় হলো ঘুম. হ্যাঁ এটা হলো এমন একটি প্রবলেম যা almost প্রতিটি student রাই face করে থাকে। এক কথায় student লাইফ এর সব থেকে বড় শত্রু হলো ঘুম।

আপনাদের মধ্যে থেকে অনেকেরই হয়তো exam কাছে হয়ে এসেছে। আর আপনি আপনার সিলেবাস অ্যাসোন অ্যাস কমপ্লিট করতে চান। আর এর কারণে আপনি রাতে পড়াশোনা করতে বসেন।

কিন্তু আপনি হয়তো এটা লক্ষ্য করে দেখেছেন যে, রাত্রিবেলায় আপনি effectively পড়াশোনা করতেই পারেন না। যখন পড়তে বসেন, তখনই আপনার ঘুম আসতে শুরু করে।

সকালে তো আপনি খুব ভালোভাবেই পড়াশোনা করতে পারেন। কিন্তু যতই বেলা বাড়তে শুরু করে। বিকেল থেকে সন্ধ্যা তারপর রাত্রি আসে। আপনার energy level ও তত কমতে শুরু করে।

যার ফলে রাতে পড়াশোনা করা। আপনার কাছে অসম্ভব হয়ে পড়ে। কিন্তু চিন্তা করার দরকার নাই। কারণ আজকের এই পোস্টটি দেখার পর, আপনার এই বড় সমস্যাটি একেবারেই আপনার মধ্যে থেকে শেষ হয়ে যাবে।

রাত জেগে পড়াশুনা করার উপায়

আজকের এই পোস্টটিতে আপনি এমন পাঁচটি tips কে জানতে পারবেন। যেগুলিকে ফলো করে আপনি রাত্রিবেলাও effectively আপনার পড়াশোনাকে চালিয়ে যেতে পারবেন।

আর পড়ার সময় আপনার ঘুমও আসবে না। তো চলুন শুরু করি।

Tips 1 : avoid heavy meals at night. রাত্রিবেলায় হেভি food consume করার পর আমাদের শরীরের পাচনতন্ত্রকে সেই খাবারকে digest করার জন্যে প্রচুর পরিশ্রম করতে হয়। যার কারণে আমাদের body অনেক energy consume হয়ে যায়। আর এর ফলে আমরা লেজি করা শুরু করি।

আর আমাদের ঘুম পেতে শুরু করে। এটা আপনিও হয়তো notice করেছেন যে heavy food consume করার পর আপনার body অলস হয়ে যায়। এই কারণের জন্যে রাতে আপনি ভারী খাবারকে avoid করুন।

যতটা সম্ভব হালকা খাবারকে খান। অর্থাৎ লাইট food কে consume করার চেষ্টা করুন। আর এর সাথে সাথে এই কথাটিকেও মাথায় রাখবেন যে আপনি আপনার ডিনার যতটা সম্ভব তাড়াতাড়ি করে নেবেন।

অর্থাৎ আপনি রাত্রি সাতটা থেকে আটটার মধ্য আপনার ডিনার কমপ্লিট করে নেবেন। রাত্রি সাতটা থেকে আটটার মধ্যে ডিনার আপনার শরীরের জন্য অনেক বেনিফিশিয়াল। আর এর ফলে রাতে পড়ার সময় আপনার ঘুম ঘুম ভাব কেটে যাবে।

আরও পড়ুনঃ সকল সিমের নাম্বার চেক করার কোড

Tips 2 : two keep your study room. বেশিরভাগ স্টুডেন্টরাই এই ভুলটি করে থাকে। যে তারা পড়ার সময় lamp জ্বালিয়ে বা কম ভোল্টের বাল্ব জ্বালিয়ে পড়াশোনা করে। যার কারণে তাদের room এর maximum অংশই dark মানে অন্ধকার হয়ে থাকে।

শুধু পড়া জায়গাটিকে বাদ দিয়ে বাকি সম্পূর্ণ রুমটি অন্ধকার হয়ে থাকে। এতে কি হয় জানেন? এতে আমাদের ব্রেনে মিলাটনিন হরমোন রিলিজ হওয়া শুরু করে। আর আপনি তো এটা ভালোভাবেই জানেন যে মেলাটোনিন হরমোনি হলো সেই হরমোন যা আমার ঘুমের জন্য দায়ী।

Actually যখন আপনার স্টাডি টেবিল বা আপনার স্টাডি রুমে যথেষ্ট পরিমাণ লাইট থাকে। তখন আপনার ব্রেন এটা মনে করা শুরু করে যে এখনো রাত হয়নি। এখনো দিনই আছে। যার কারণে ব্রেন মিলিটানিন ড়মনের রিলিজকে বন্ধ করে দেয়।

আর obviously মিলিটানিন রিলিজ না হলে ঘুম আসবে কিভাবে? কিন্তু এরই অপরদিকে যদি আপনি কমলাইটে পড়াশোনা করেন। তো তখন আপনার ব্রেন, huge amount এ মেলাটোনিন হরমোন release করতে শুরু করে।

আর এটার কারণেই আপনার পড়ার সময় ঘুম আসতে শুরু করে। এবং ধীরে ধীরে আপনি ঘুমিয়ে পড়েন। এই কারণের জোর নেই। যখনই আপনি রাতে পড়তে বসবেন। তখন এই কথাটিকে অবশ্যই মাথায় রাখবেন যে আপনার স্টাডি রুমটিতে যেন পর্যাপ্ত মাত্রায় লাইট থাকে।

Tips 3 : . Shit in the chair, not on bad. বেশিরভাগ স্টুডেন্টরাই পড়তে বসার সময় এই ভুলটি করে ফেলে। যে নিজের bed এই পড়তে বসে পরে। এটা করার ফলে তারা পড়ার সময় comfort zone এ চলে যায়।

আর এতে আমাদের ঘুম আসতে শুরু করে। তো যদি আপনারও বিছানায় পড়ার অভ্যাস থেকে থাকে, তাহলে এটিকে আজই পরিবর্তন করুন। আপনি বিছানায় পড়তে না বসে বরং নিজের desk এ পড়তে বসুন। আর হ্যাঁ, এই কথাটিকেও মাথায় রাখবেন যে আপনার sitting poster যেন একদম correct থাকে।

Tips 4 : learned by writing. যদি আপনি কোন ইনফরমেশন কে লিখে মনে রাখেন। তো এটা সত্যিই আপনার খুব ভালো একটি অভ্যেস। যখন আমরা কোনো বিষয় বা কোনো ইনফরমেশন কি লিখি তখন আমরা alert হয়ে যাই। আর লিখে লিখে মনে রাখার অভ্যেস আপনার স্মৃতি শক্তিকেও অনেকটা improve করে।

যার ফলে আপনি পড়াকে বহুদিন পর্যন্ত মনে রাখতে পারেন। তাই রাতে পড়তে বসলে পড়াকে লিখে লিখে মনে রাখার চেষ্টা করুন।

Tips 5 : avoid reading difficult topic in night. আপনি হয়তো এই কথাটি বেশ কয়েকজনের মুখেই শুনেছেন। যে difficult এবং কমপ্লেক্স সাবজেক্ট গুলিকে নাকি রাতে পড়লে ভালো মনে থাকে। ডিফিকাল্ট সাবজেক্ট গুলিকে আমাদের ব্রেন, রাতে ভালো প্রসেস করতে পারে।

কিন্তু এটা সম্পূর্ণ একটি মিথ্যা। ফ্যাক্ট হলো এই যে যে সাবজেক্ট গুলি ইজি সেই সাবজেক্টগুলির পড়া আমাদের রাতে ভালো মনে থাকে। আর এরই অপর কে যে সাবজেক্ট গুলি difficult সেগুলির পড়া সকালে পড়লে আমাদের ভালো মনে থাকে।

তাই যে সাবজেক্ট গুলি আপনার কাছে সহজ সেই সাবজেক্ট গুলিকে আপনি রাতে পড়ুন। আর যে সাবজেক্ট গুলি আপনার কাছে difficult বলে মনে হয়। সেগুলিকে আপনি সকাল পড়ুন। কারণ সকালে আমাদের brain এর information কে catch করার ক্ষমতা অনেক বেশি থাকে।

শেষকথা

এই পাঁচটি tips কে যদি আপনি ঠিক মতো follow করেন এবং তার according এ যদি আপনি আপনার পড়াশোনা করেন। তো আপনি ও রাতে easily ও effectively আপনার পড়াশোনাকে করতে পারবেন। আর পড়ার সময় আপনার ঘুমও আসবে না।

তো বন্ধু এই পাঁচটি টিপস এর মধ্যে থেকে কোন টিপস টিকে আপনি আগে থেকেই জানতেন এবং follow করতেন তার নিচে কমেন্ট box এ অবশ্যই জানাবেন. ধন্যবাদ

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button