Uncategorizedকাহিনী
Trending

সালমান খানের লাইফস্টাইল. বাড়ি, গাড়ি, আয়

সালমান খানের লাইফস্টাইল

হ্যালো বন্ধুরা কেমন আছেন সবাই। আজকের এই পোষ্টটি আমরা জানবো বলিউড ভাইজান সালমান খানের গাড়ি বাড়ি সম্পর্কে। আর আজকের এই পোষ্ট থেকে আমরা মোটামুটি ধারণা পেয়ে যাব। যে সালমান খান কতটা ধনী।

এবং কিভাবে তার টাকাগুলো খরচ করে। তবে একটি জিনিস আপনাকে অবাক করবে। সালমান খান কিন্তু নেইমারের থেকে দ্বিগুন ধনী। তাহলে নেইমার যদি এত বিলাসবহুল জীবনযাপন করে। তাহলে সালমান খানের তো কিছু সম্মান বলে কথা আছে।

সালমান খানের লাইফস্টাইল দেখুন

যাইহোক সালমান খানকে বেশিরভাগ মানুষই বলিউডের ভাইজান এবং সুলতান বলে ডাকে। আর সালমান খান তার বলিউড ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন মাত্র 75 রুপি দিয়ে। মানে যখন তিনি বলিউডে কাজ করতেন। তখন তিনি 75 রুপি পারিশ্রমিক পেতেন। তবে গত 20 বছরে সালমান খান এতটাই নাম এবং খ্যাতি অর্জন করেছেন।

যে তিনি পৃথিবীর সবথেকে ধনী অভিনেতা না হলেও ভারতের তিন নম্বর ধনী অভিনেতা হয়েছেন। আর সালমান খানের ফ্যান শুধু ইন্ডিয়াতে নয়, বাংলাদেশসহ পৃথিবীর কোনায় কোনায় অবস্থান করছেন।

সালমান খানের আয় সম্পর্কে জানুন

সালমান খান শুধু একটি সিনেমা করার জন্য মোটামুটি 75 কোটি টাকা চার্জ করেন। শুধু 2018 সালে সালমান খান মুভি হতে মোট পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন 2860 কোটি টাকা। শুধু এতোটুকুই নয় সালমান খান তাঁর প্রতিটি অ্যাডভার্টাইজমেন্ট এর জন্য মোটামুটি 107 কোটি টাকা চার্জ করেন।

এছাড়া সালমান খান টিভি শোয়ের এনকারি করার জন্য কোটি কোটি টাকা চার্জ থাকেন। যেমন তো আপনারা সবাই জানেন যে, সালমান খানের টিভি শোয়ের কথা উঠলেই বিগ বসের নাম সবার প্রথমে চলে আসে। আর মজার ব্যাপারটি হচ্ছে এই বিগবসের প্রথম সিজনের সালমান খান একটি এপিসোড করার জন্য তিন কোটি টাকা চার্জ করেছিলেন।

এবং সিজন টুয়েলভ এর জন্য প্রতিটি এপিসোডে মোটামুটি 12 কোটি টাকা চার্জ করেছিলেন। তবে সালমান খানের উৎস এখানেই শেষ নয়। সালমান খান তার নিজস্ব দুইটি ফিল্ম প্রোডাকশন রয়েছে।

যে প্রোডাকশন হাউজ বাজরাঙ্গি ভাইজান এবং রীতিমত সুপারহিট ফিল্ম দর্শকদের উপহার দিয়েছেন। তবে এতক্ষণে আপনারা মোটামুটি ধারণা পেয়ে গিয়েছেন।

যে এত টাকা যে ব্যাক্তি আয় করে তার জীবন যাপন তো সাধারন ব্যক্তিদের মত হবে না। তবে সালমান খান শাহরুখ খানের মতো এতো সুখী না হলেও। তার থেকে কিছু কম নয়।

সালমান খান যেভাবে নিজের টাকা খরচ করে

তো চলুন জেনে আসি যে, সালমান খান তার টাকা কিভাবে খরচ করে। দুই প্রথমে সাইকেল দিয়ে শুরু করি। সালমান খানের একটি সাইকেল রয়েছে আর এই সাইকেলটি সালমান খানের নিজস্ব কোম্পানির তৈরি। আরে সাইকেল টিতে প্যাডেল এবং ইলেকট্রিক দুইটি সুবিধা রয়েছে। মানে ইচ্ছে করলে আপনি প্যাডেল মেরে চালাতে পারবেন।

আবার ইচ্ছে করলে ইলেকট্রনিক এর মাধ্যমে চালাতে পারবেন। তো সুন্দর করে সাইকেলটির মূল্য 57 হাজার রুপি। এরপর সালমান খানের একটি বাইক রয়েছে যার নাম সুজুকি হায়াবুসা। আরেকটি সালমান খানের সবথেকে ফেভারিট বাইক আর মজার ব্যাপার হচ্ছে।

একটি তেরশো পঞ্চাশ সিসির বাইক। আর এই শক্তিশালী বাইকটির মূল্য ভারতে 14 লক্ষ রুপি। আর বাংলাদেশের যদি গাড়িটি আনতে চান তাহলে ভ্যাটসহ মোটামুটি তিরিশ লক্ষ টাকা পড়ে যাবে। এছাড়াও সালমান খানের কাছে রয়েছে ইয়ামাহা ওয়ান। আর এই বাইকটি 2013 সালের মডেলের তো বর্তমানে এটির মূল্য মার্কেটে প্রায় ছয় লক্ষ টাকার মতো।

এছাড়া সালমান খানের আরো একটি বাইক রয়েছে যার নাম সুজুকি জিক্সার জিএসএক্স।

সালমান খানের গাড়ির কালেকশন

তো এবার আসা যাক সালমান খানের কার কালেকশন এর ব্যাপারে। যেমন সালমান খানের রয়েছে ব্রিটিশ কোম্পানির তৈরি রোলস রয়েলস ফেলতাম। আর বেশিরভাগ বড় বড় সেলিব্রিটির কাছে এই গাড়িটি লক্ষ্য করা যায়। এবং এই গাড়িটির মূল্য প্রায় 3 কোটি 40 লাখ রুপি। এরপর সালমান খানের দ্বিতীয় গাড়িটি হচ্ছে জার্মান ব্যান্ডের তৈরি করছে।

পানামেরা আরেকটি টপ স্পিড হচ্ছে 306 কিলোমিটার প্রতি ঘন্টায়। আর বাজারে এই গাড়িটির মূল্য প্রায় দুই কোটি 10 লাখ রুপি। এরপর তৃতীয় গাড়িটি হচ্ছে রেঞ্জ রোভার ভোগ আর মজার ব্যাপার হচ্ছে এই গাড়িটি পূর্বে ব্রিটিশ কোম্পানির ছিল।

বর্তমানে ভারতের টাটা কোম্পানি এই গাড়িটির স্বত্বাধিকার কিনে নিয়েছে। আর এটি ভারতীয়দের জন্য একটি গর্বের বিষয়। তো যাই হোক এই গাড়িটি প্রতি ঘণ্টায় 200 কিলোমিটার বেগে ছুটতে পারে।

এবং মূল্য দুই কোটি 27 লাখ রুপি। এর পরে রয়েছে জার্মান ব্র্যান্ডের তৈরি mercedes-benz 350 টি। এবং ভারতে এই গাড়িটির মূল্য প্রায় 85 লক্ষ রুপি। এবং এডিট অপশন হচ্ছে 210 কিলোমিটার প্রতি ঘন্টায়। এছাড়া সাল্লু ভাইয়ের মার্সিডিজ ব্র্যান্ডের আরো একটি গাড়ি রয়েছে যারা mercedes-benz l250। এবং ভারতে একটি মূল্য প্রায় 27 লাখ রুপি।

এবং এই গাড়িটি টপ স্পিড হচ্ছে 250 কিলোমিটার প্রতি ঘন্টায়। এবং সালমান খানের একটু কম দামের গাড়িতে হচ্ছে টয়োটা ফর্চুনার। এবং এই গাড়িটির মূল্য প্রায় 30 লাখ রুপি এবং এই গাড়িটির টপ স্পিড হচ্ছে ঘন্টায় 200 10 কিলোমিটার। এরপর সালমান খানের রয়েছে একটি এক কোটি 70 লক্ষ রুপি মূল্যের অডি rs7।

এছাড়া রয়েছে লেক্সাস lx470 রয়েছে বিএমডব্লিউ এক্স এক্স। এছাড়া সালমান খানের রয়েছে একটি ভ্যানিটি ভ্যান।এবং এটি খুবই বিলাসবহুল আরে ভ্যানিটি ভ্যান কে আপনি হয়তো বলতে পারেন। এবং বেশিরভাগ মানুষের মত ইভেন্টে বলিউডের সবথেকে দামি প্রাণ-আরএফএল এর মূল্য প্রায় সাড়ে 6 কোটি রুপি।

শুধু এখানেই শেষ নয় বলিউড ভাইজানের রয়েছে একটি বিলাসবহুল জাহাজ। আর মজার ব্যাপারটি হচ্ছে 2016 সালে সালমান খানের বার্থডে তে সে নিজে নিজেকে একটি বিলাসবহুল জাহাজ গিফট করেছিল।

আর সত্যি বলতে সালমান খানের কোন গার্লফ্রেন্ড নেই, যে তাকে গিফট করবে। তাই সে দুঃখ রাখতে না পেরে নিজেকে নিজে গিফট করেছিলেন। তো সেটা যাই হোক এ বিলাসবহুল এয়ারটেল মূল্য প্রায় 3 কোটি রুপি।

তো সেটা যাই হোক সালমান খান যে বাড়িতে বসবাস করেন সেটির নাম হচ্ছে গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্ট। আরে বাড়িটির ফার্স্ট ফ্লোর সালমান খান বসবাস করেন।

এছাড়া মুম্বাই শহর থেকে 30 মিনিট দূরে পাহাড়ের মধ্যে সালমান খানের একটি ফার্ম হাউস রয়েছে। আর এই ফার্ম হাউস ট্রি দিরসো একর এলাকাজুড়ে রয়েছে।

আর এই ফার্ম হাউসের নাম হচ্ছে আর্পিতা ফার্ম হাউস এবং এ ফার্ম হাউসে বিশাল বড় সুইমিং পুল, একটি জিমনেশিয়াম। এছাড়া রয়েছে একটি বিশাল ঘোড়া রাখার জায়গা।

আর মজার ব্যাপার হচ্ছে এই সম্পূর্ণ ফার্ম হাউস এর বাজারমূল্য প্রায় 180 কোটি রুপি। তো এতক্ষণে আপনি বুঝতে পেরেছেন যে, ভাইজান কিভাবে তার টাকাগুলো খরচ করে থাকে। তবে যেরকম সালমান খানের দেহটি বিশাল তার মনও কিন্তু তেমনই বিশাল।

যদি কোথাও সাহায্যের কথা ওঠে তাহলে সবার প্রথমে সেখানে সালমান খানকে পাওয়া যায়। এছাড়া সালমান খান বিভিন্ন চ্যারিটিতে প্রচুর পরিমাণে টাকা দান করেন। এছাড়া একটি রিপোর্টে বলা হয়েছিল যে সালমান খান গরিব বাচ্চাদের মধ্যে 200t সাইকেল বিতরণ করেছেন। আর গরিব বাচ্চাদের সাহায্য এবং অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সালমান খান হিউম্যান নামের একটি প্রতিষ্ঠান খুলেছেন।

শেষকথা

এছাড়া একটি রিপোর্টে সালমান খান এটা বলেছেন। যে তিনি যত টাকা আয় করেন তার মাত্র 10% তিনি নিজের জন্য রাখেন। এছাড়া বাকি 90% মুনাফার অংশ তিনি বিভিন্ন চারিটি এবং সমাজসেবার কাজে ব্যয় করেন।

তো কমেন্ট বক্সে জানাবেন মাত্র 10 শতাংশ মুনাফা নিজের কাছে রেখে কেয়া তু বিলাসবহুল জীবনযাপন করতে পারে। কিন্তু পোষ্টটি এখানেই শেষ করছি সবাই ভাল থাকবেন সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ.

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button