অজানা

সোশাল মিডিয়া সম্পর্কে অজানা তথ্য

আজকের এই পোষ্টটিতে আমরা বেশ একটি ইন্টারেস্টিং গল্প কে জেনে নি. যদিও এটি একটি গল্প নয়. তবুও বিষয়টিকে আপনি একটি গল্প আকারে বোঝার চেষ্টা করুন. এবং আজকের এই পোষ্টটি শেষ অবধি অবশ্যই দেখবেন. কারণ আজকের এই পোষ্ট টিতে আপনি এমন কিছু বিষয়কে জানতে চলেছেন, যা আপনাকে কেউ কোনদিনই বলবে না. বহু বছর আগে যখন পৃথিবীতে মানুষের কাছে টেকনোলজি ছিল না তখন মানুষ বহু পরিশ্রম করে, বিভিন্ন জিনিসপত্রকে তৈরি করতো. ধীরে মানুষ, যেমন দা কুড়ুল, কোদাল, প্রভৃতি আবিষ্কার করল. এবং সেই যন্ত্রগুলিকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন কাজকর্ম করতো.

আরও পড়ুনঃ ইফতারের দোয়া

সেই সময় কোন বড় ব্যবসা বা কোন বড় ফ্যাক্টরিও ছিল না. তাই লোকেদের দৈ দিন জীবনকে কাটানো বেশ কষ্টকর ছিল. তারপর এল ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভেলিউশন. আর এই ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভিলিউশন আসার পর হঠাৎ করে সব জিনিস পরিবর্তন হতে শুরু করে দিল. বহু নতুন নতুন ফ্যাক্টরিস তৈরি হওয়া শুরু হয়ে গেল বিভিন্ন জিনিসের mask production হওয়া শুরু হয়ে গেল. যে সকল লোকেরা বাড়িতে বা খেতে কাজ করতো, তারাও এসে এই ফ্যাক্টরি গুলোতে কাজ করা শুরু করে দিল. আর সেই সময় যে সকল লোকেরা ধনী ও powerful ছিল. তারা ফ্যাক্টরি গুলোতে টাকা বিনিয়োগ করলো,

কেউ কেউ ফ্যাক্টরি তৈরী করল, বিভিন্ন যন্ত্র কেনা শুরু করল, টুলস কেনা শুরু করল. আর এই ফ্যাক্টরি গুলোতে তারা সেই ওয়ার্কারদের খুব নিষ্ঠুর ভাবে ট্রিট করতো. তাদের ওয়ার্কিং আওয়ার অনেক বেশি ছিল অর্থাৎ তাদের দিয়ে অনেকক্ষণ কাজ করিয়ে নেওয়া হত. আর শুধু তাই নয় তাদের বেতনও অনেক কম দেওয়া হতো. Industrial revolution এর পর factory র poor condition এর জন্য অনেক সময় worker রা কাজ করতে করতে মারা যদি সহজ ভাষায় বলি তাহলে সেই সময় ফ্যাক্টরির ওয়ার্কারদের কিছু ধনী ব্যক্তিরা এক্সপ্লোয়ড করতো এটি তো গেল পুরনো কথা কিন্তু আজ টু থাউসেন্ড নাইনটিন এখন যুগ আলাদা মানুষের আলাদা, rules এবং regulation ও আলাদা.

আর যদি আপনি একটু মনোযোগের সাথে লক্ষ্য করে দেখেন, তাহলে দেখতে পাবেন যে এখনকার ফ্যাক্টরি গুলিও আগের তুলনায় আলাদা. আগের জিনিসপত্র তৈরি করার factory র চলন ছিল, আগে দরকারি জিনিসপত্রের mask production হতো. কিন্তু আজ এই সকল ফ্যাক্টরির সাথে সাথে বহু নতুন ফ্যাক্টরি তৈরি হয়েছে. আর এই নতুন ফ্যাক্টরি গুলি ইনফরমেশন বা data must production করে. আজ তথ্যের mask production হয়. আর এই data, বা ইনফরমেশন কে produce করার জন্য মার্কেটে বহু কোম্পানি এসেছে এবং আগের মতো এই ফ্যাক্টরি গুলিতেও ওয়ার্কার রয়েছে.

আরও পড়ুনঃ Banglalink Minute Offer

কিন্তু এই ডেটা ফ্যাক্টরির ওয়ার্কারদের কোন দেওয়া হয় না. এবার প্রশ্ন হল এই ওয়ার্কাররা কারা যাদের কোন বেতন ছাড়াই কাজ করিয়ে নেওয়া হয়? আর কেন এই ওয়ার্কাররা কোন বেতন ছাড়াই কাজ করতে রাজি হয়ে যায়? আর এই ডেটা বা ইনফরমেশন এর ফ্যাক্টরি কোথায় আছে? এই ডেটা বা ইনফরমেশন ফ্যাক্টরির ওয়ার্কার হলো আমি আপনি এবং এই পৃথিবীর সকল ব্যক্তি. আর এই ফ্যাক্টরি হল সেই সকল ওয়েবসাইট গুলি যেগুলি আমাদের ডেটাকে কালেক্ট করে. মেইনলি সেই সকল সোশ্যাল networking site গুলি যেগুলিতে আমরা আমাদের private ইনফরমেশন খুব আনন্দের সাথে দিয়ে থাকি. চলুন বিষয়টিকে একটু সহজভাবে বোঝার চেষ্টা করি. আমরা সকলেই Facebook এর ব্যবহার তো অবশ্যই করে থাকি. তাই না, তো এই Facebook হলো এমন একটি data factory যার মেন accepts হলো আমাদের data এবং ইনফরমেশন. কারণ আমাদের data কে use করেই সে আমাদের কাছে advertising করে.

থার্ড পার্টিকে সেই ইনফরমেশন সেল করে. Even future এ যে artificial intelligence আসতে চলেছে সেই AIAJ আমি কে? এই প্রশ্নটির উত্তর আমার থেকে বেশি সেই AI এর কাছে যখন তার কাছে আমার enough data store থাকবে আমার feelings আমার লাইকিং এবং disliking things এর মতন তথ্য যখন সেই AI এর কাছে থাকবে তখন সেই AI ninety nine পার্সেন্ট accurate সাথে আমার future action অর্থাৎ ভবিষ্যতে আমি কি করতে চলেছি তা প্রেডিক্ট করতে পারবে যদি কেউ জানতে পারে যে আপনি এক মিনিট পরে কি ভাবতে বা কি করতে চলেছেন তাহলে সে খুব সহজেই আপনার কোন কিছু sell ও করতে পারবে এই কারণে শুধু Facebook বা সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট এ নয় প্রতিটি বড় বড় ডেটা ফ্যাক্টরি অর্থাৎ গুগল অ্যামাজন মাইক্রোসফ্ট এই সকল ফ্যাক্টরিদের কাছে আমাদের ফুট করার ডেটা একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আর এই ডেটা ফ্যাক্টরি গুলির মধ্যে থেকে Facebook ও হলো একটি ফ্যাক্টরি যার মেন অ্যাসেটস হলো আমাদের ডেটা. আমাদের ইনফরমেশন.

আর ইন্ডাস্ট্রিয়াল এজের মতই এখানেও কিছু ধনী ব্যক্তিরা তাদের অর্থ বিনিয়োগ করে. যাদের আমরা শেয়ার হোল্ডার বলি. Facebook বলে তার top priority তার user রা. কিন্তু বন্ধু এমনটি নয় আসলে তার top prior হলো তার শেয়ার holders এবং advertiser রা. আর এই Facebook data factory আমাদের সকলের হাতে দিয়ে দিয়েছে একটি অ্যাপ যেখানে আমরা Facebook এর জন্য content create করি. আমরা সকলেই রাত দিন এই Facebook কাজ করেই চলেছি অনেক ব্যক্তি এমনও আছে যারা এই কাজে overtime ও করে. Instagram is not a photo sharing অ্যাপ এটি হলো এমন একটি অ্যাপ যেখানে আপনি একটি photographer হিসেবে কাজ করেন. মানুষ একটি পোস্ট করার জন্য কতগুলি না ছবি ক্লিক করে থাকে. তারপর আবার তার ফিল্টার চেঞ্জ করে ফটো আপলোড করার পর কমেন্ট এবং লাইক এর অপেক্ষা যখন কমেন্ট আসে তার আবার রিপ্লাই দিতে হয়. এগুলি হলো এমন এক ধরনের জব. তাই নয় কিছু কিছু লোক এমনও আছে যারা তাদের সোশ্যাল মিডিয়ার প্রোফাইলকেই real identity মনে করে নেয়. আমরা সকলেই এই সোশ্যাল মিডিয়া গুলিতে পোস্ট uploads, likes,

কমেন্টস এই বিষয়গুলি একে নিয়ে খুবই serious after all efforts এতো পরিশ্রম করার পর এতটা care করার পর পায় কি আমরা পাই কিছু likes কিছু কমেন্টস এবং একটি এমন টাইম লাইন যা কখনো শেষ হবে না আমরা এই সকল সোশ্যাল মিডিয়া গুলিতে রাতদিন কাজ করেই চলেছি পোস্ট upload, tag, কমেন্ট, লাইক, শেয়ার, এই সকল কাজ করেই চলেছি সোশ্যাল মিডিয়ার সাইট গুলিতে, ডাটা এবং ইনফরমেশন input আমরা এই factory র মালিকদের billions of dollar আয় করিয়ে দিচ্ছি.

দেখুন আমি বলছি না যে Facebook সম্পূর্ণভাবে ভুল বা বলছি না যা আমাদের এই সোশ্যাল সাইট গুলিকে ইউজ করা বন্ধ করতে হবে। আমি শুধুমাত্র এইটুকু বলতে চাইছি যে যদি আমরা এই বিষয়টিকে একটু অন্য দৃষ্টিভঙ্গির দ্বারা দেখার চেষ্টা করি. অন্য একটি perspective এর দ্বারা দেখার চেষ্টা করি তাহলে আমরা দেখতে পাবো এই সকল ওয়েবসাইট গুলি হল এক একটি data factory যারা প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা তাদের এই ফ্যাক্টরির মাধ্যমে আয় করে চলেছে. এবং আমরা হলাম এই ডেটা ফ্যাক্টরির একজন এক্সপ্লাইটেড বা আনপেড ওয়ার্কার।

 

2 Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button