অজানা

হঠাৎ পৃথিবীর অক্সিজেন যদি শেষ হয়ে যায়? কি ঘটবে?

আপনার মনে হয়তো এই প্রশ্নটি অবশ্যই এসেছে, যে যদি পৃথিবী থেকে পাঁচ সেকেন্ডের জন্য সকল অক্সিজেন ভ্যানিস য়ে যায় তাহলে কি হতে পারে? এমন ধরনের প্রশ্ন তো আপনার মধ্যে কোনো না কোনো দিন অবশ্যই এসেছে. তাই না?

দেখুন যদিও এই ধরনের ঘটনা কোনোদিনই ঘটবে না. তবুও যেহেতু প্রশ্নটি এসেছে তাই তার আনসার তো অবশ্যই খুঁজতে হবে. এবার আপনি হয়তো ভাবছেন যে পাঁচ সেকেন্ডের জন্য পৃথিবীতে অক্সিজেন ভ্যানিশ হয়ে গেলে এমন কি হবে।

আমি তো এক মিনিট পর্যন্ত শ্বাসরোধ করে থাকতে পারবো. এই ধরনের ভাবনা আপনার মধ্যে আসছে তাই না?

যদি পৃথিবীর অক্সিজেন যদি শেষ হয়ে যায়?

কিন্তু বন্ধু আপনি এটি জেনে অবাক হবেন যে পৃথিবীতে পাঁচ সেকেন্ড অক্সিজেন না থাকলে এমন কিছু ভয়ানক ঘটনা ঘটবে যা আপনার ধারণার বাইরে সিমেন্ট এবং কে একসাথে বেঁধে রাখতে সাহায্য করে অক্সিজেন।

অক্সিজেন না থাকলে সিমেন্ট এবং কংক্রিট অনু গুলি একসাথে বেঁধে থাকতে পারবে না. তাই যে মুহূর্তে পৃথিবী থেকে অক্সিজেন ভ্যানিশ হবে ঠিক তখনই পৃথিবীর সকল বিল্ডিং ইভেন বুর্জ খালিফা পর্যন্ত কলাপস হয়ে যাবে. পৃথিবীর সকল মেটালে এক অদৃশ্য অক্সিজেনের লেয়ার থাকে. যা আলাদা আলাদা দুটি মেটালকে একে অপরের সাথে জয়েন হতে বাধা দেয়.

তাই অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে এই পৃথিবীর যতগুলি metal একে অপরের touch এ রয়েছে সেগুলি একে অপরের সাথে জয়েন হয়ে যাবে. আর এই কারণের জন্য পৃথিবীর সকল বিল্ডিং এবং মেটাল construction গুলি collapse হয়ে যাবে.

জলের কেমিক্যাল ফর্মুলা তো আপনি অবশ্যই জানেন যেখানে দুই অণু হাইড্রোজেন এবং এখনো অক্সিজেন থাকে. তাই এইচ টুও থেকে যদি অক্সিজেন ভ্যানিশ হয়ে যায় তাহলে বাকি থাকে হাইড্রোজেন. আর যেমনটি আপনি জানেন।

যে হাইড্রোজেন হল পৃথিবীর সবথেকে হালকা গ্যাস. তাই পৃথিবীর সকল জল পাঁচ সেকেন্ডের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে. আর এই হাইড্রোজেন গ্যাস সব থেকে হালকা হওয়ার কারণে বায়ুমণ্ডলের ট্রপোস্ফিয়ারকে ছাড়িয়ে space এ চলে যাবে.

পৃথিবীতে অক্সিজেন না থাকলে কি হবে?

আর কোনোদিন আমরা এই হাইড্রোজেনকে ফিরিয়ে আনতে পারবো না. অক্সিজেন ভ্যানিস হওয়ার এই ঘটনাটি যদি দিনের বেলায় ঘটে তাহলে এই আকাশ যাকে আমরা ব্রাইট দেখতে পাই অনেকটা dark হয়ে যাবে।

কারণ সূর্যের আলো যখন আমাদের atmosphere এ enter করে তখন এই atmosphere এ অবস্থিত dust partical, এবং অন্যান্য গ্যাসের particle সূর্যের আলোকে reflect করে. যার ফলে আমরা আকাশকে bright দেখতে পাই. এবার আপনার মনে হয়তো এই প্রশ্নটি অবশ্যই আসছে যে অক্সিজেন নেই তো কি হয়েছে? অন্যান্য গ্যাস, যেমন CO নাইট্রোজেন এগুলির তো dustbin রয়েছে,

এগুলির দ্বারা sunlight flake হবে. কিন্তু বন্ধু reflection তো হবেই কিন্তু তা আগের তুলনায় অনেক কম হবে. এবং সূর্যকে দেখতেও আগের তুলনায় অনেক ছোট মনে হবে. অর্থাৎ space থেকে সূর্যকে যেমন দেখায়।

ঠিক সেই রকমই পৃথিবী থেকেও দেখাবে, আগুনকে জ্বালানোর জন্য অক্সিজেনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে. তাই অক্সিজেন নেই অর্থাৎ আগুন নেই. পৃথিবীতে যত জায়গায় আগুন জ্বলছিল, সেই সকল আগুন নিভে যাবে.

এর সাথে সাথে রাস্তায় যতগুলি গাড়ি চলছিল সেই সকল গাড়ি গুলিও বন্ধ হয়ে যাবে কারণ ইঞ্জিনকে চালানোর জন্য প্রয়োজন হয় কম্প্রেসার আর এই কম্প্রেসার কে তৈরি করে আগুন তাই পৃথিবীর সকল গাড়ি অর্থাৎ car, বাস, মোটরসাইকেল, জাহাজ অর্থাৎ যে সকল গাড়ি ফিউল দ্বারা চলে সেগুলির প্রতিটির ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যাবে।

যার ফলে প্রচুর মাত্রায় এক্সিডেন্ট হওয়ার চান্সেস অনেক বেড়ে যাবে. আর শুধু তাই নয় আকাশে যতগুলি এরোপ্লেন্স এবং হেলিকপ্টার ছিল সেগুলির ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে সেগুলিও পৃথিবীর বুকে এক এক করে আছড়ে পড়া শুরু করবে.

পৃথিবীতে অক্সিজেন না থাকলে যা হবে!

এভারেজ ব্যক্তির শরীরে প্রায় sixty two sixty five পার্সেন্ট জল থাকে আর এই জলে অক্সিজেনও থাকে তাই যদি এই অক্সিজেন ভ্যানিস হয়ে যায় তাহলে আপনার শরীর ঠিক এইরকম হয়ে যাবে. কিন্তু আমাদের হিউম্যান body র একটি বিশেষ advantage হলো এই যে আমরা অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে ধীরে ধীরে বুঝতে পারি।

অর্থাৎ breathing related কোনো প্রবলেম কে অক্সিজেন ভেনিস হয়ে যাওয়ার এক মিনিট পরে feel করতে পারবো। কানের ভেতর যে এয়ার ড্রাম থাকে তাদেরও অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়।

কোন শব্দকে শোনার জন্য এই এয়ার ড্রাম গুলির অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়. অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে বায়ুমণ্ডলের এয়ার প্রেসারের পরিমান য়েন্টি পার্সেন্ট কমে যাবে.

যেভাবে জলের ভিতরে ডুব দিলে আমাদের কান এবং নাক ব্লক হয়ে যায়. ঠিক তেমনই অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে আমাদের কান এবং নাক ব্লক হয়ে যাবে. এবং এর প্রেসারও জ তুলনায় অনেক বেশি হবে।

আসলে হটাৎ air pressure এর মধ্যে এতটা তারোতমের কারণে আপনার কানের পর্দা ফেটে যাওয়ারও চান্স রয়েছে. Atmosphere এর মধ্যে অবস্থিত ওজন layer আমাদের পৃথিবীকে সূর্যের radiation এবং UVS এর হাত থেকে রক্ষা করে. আর যেমনটি আপনি ছোটবেলায় বইয়ে পড়েছেন যে এই ওজন গ্যাস.

অক্সিজেনের তিনটি অণু অর্থাৎ ও থ্রি দিয়ে তৈরি. তাই অক্সিজেন ভ্যানিস হয়ে যাওয়ার ফলে এই ওজন layer ও আর থাকবে না. যার ফলে সূর্যের radiation এবং UV Rayse সরাসরি আপনার ত্বকে এসে পড়বে. যার ফলে আপনার ত্বক পুড়ে যাবে.

অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে সবথেকে বড় যে সমস্যাটি সৃষ্টি হবে। তা হলো আমাদের পৃথিবীর trust বা ভূতকের chemical bonding এর dis balance ঘটবে.

কারণ পৃথিবীর ভূতকরty five পার্সেন্ট অক্সিজেন দ্বারা তৈরী. এই অক্সিজেন পৃথিবীর ভূমিভাগের particle গুলি একে অপরের সাথে attach করে রাখে তাই অক্সিজেন না থাকলে এই মাটির bonding ভেঙে যাবে এবং এর সাথে সাথে মাটির উপরে অবস্থিত এই বিশাল বিল্ডিং গুলিও থাকবে না.

সর্বশেষ

তো এগুলিই হলো সেই ঘটনা পৃথিবী থেকে পাঁচ second এর জন্য অক্সিজেন ভ্যানিশ হয়ে যাওয়ার পর ঘটবে

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button